মাইগ্রেন দূর করার কিছু উপায়

মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। আর এর যন্ত্রণা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানে। কাজের ব্যস্ততায় আমাদের খাওয়া, ঘুম, বিশ্রাম ইত্যাদির সঠিক সমন্বয় সব…

মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। আর এর যন্ত্রণা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানে। কাজের ব্যস্ততায় আমাদের খাওয়া, ঘুম, বিশ্রাম ইত্যাদির সঠিক সমন্বয় সব সময় হয় না। অনিয়ম সব সময়ই ক্ষতিকর। আর মাইগ্রেনের রোগীদের জন্য তো বেশ ক্ষতিকর। কারণ প্রাত্যাহিক জীবনে যেকোনো রকম অনিয়ম ঘটলেই মাইগ্রেন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে যাদের, তাদের কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি।

কর্মব্যস্ত দিন শেষে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন ও ঘুমান। ঈষদুষ্ণ বা হালকা গরম পানিতে গোসল করলে অনেকটা ক্লান্তি সহজেই কেটে যাবে। এক কাপ লেবু-চা আপনাকে আরেকটু স্বস্তি দেবে। সবসময় মনে রাখবেন, মাথা হালকা করে তবেই ঘুমোতে যাওয়া উচিত।

যারা মাত্রাতিরিক্ত চা-কফি পানে রীতিমতো আসক্ত, হঠাৎ করেই তারা যদি অভ্যাস পাল্টে দিনে ২ কাপ চা বা কফি পান করতে শুরু করেন, সেক্ষেত্রে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তার মাইগ্রেইনের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। তাই ধীরে ধীরে এই অভ্যাস ত্যাগ করুন।

রোদের মধ্যে অনেকক্ষণ ঘুরে বেড়ানোর ফলে মাইগ্রেইনের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া, হঠাৎ করে আবহাওয়া পরিবর্তন, উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতাও তীব্র মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। তাই বাইরে রোদ থাকলে, ছাতা নিয়ে বেরোনোর অভ্যাস করুন।

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। আপনার যদি মাইগ্রেইনের সমস্যা থেকে থাকে, তবে ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমালেই প্রচণ্ড মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। কম বা বেশি ঘুমানোর দুটি অভ্যাসই পরিত্যাগ করুন।

উচ্চশব্দে দীর্ঘক্ষণ গান শোনার কারণে তীব্র মাথাব্যথার সমস্যা হতে পারে। মাইগ্রেইনে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এ ধরনের মাথাব্যথা একটানা প্রায় ৩ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। তাই এখন থেকে ভলিউম যতোটা সম্ভব কমিয়ে গান শোনার অভ্যাস করুন।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা না খেয়ে থাকার অভ্যাসে গ্যাস্ট্রিক ও মাইগ্রেইনের সমস্যা চাড়া দিয়ে ওঠে। সকালের নাস্তা না খাওয়ার অভ্যাসও একই সমস্যাগুলো সৃষ্টি করে। পর্যাপ্ত পানি পান করে, ফল ও সুষম খাদ্য খেয়ে দিন শুরু করুন।

আপনার জন্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *